Showing posts with label Website Designe. Show all posts
Showing posts with label Website Designe. Show all posts

গুগল এডসেন্স থেকে আয়ের জন্য সঠিক ডোমেন ব্যবহার

Friday, April 13, 2012

যারা ব্লগ বা ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপন রেখে প্রতি ক্লিকে আয় করতে চান তাদের প্রথম পছন্দ গুগলের বিজ্ঞাপন নেটওয়ার্ক এডসেন্স (এড চয়েজ)।  আপনার সাইটের বিষয়ের সাথে মিল রেখে বিজ্ঞাপন দেখা যাবে। সেখানে ভিজিটর ক্লিক করলে আপনার একাউন্টে টাকা জমা হবে।
এডসেন্স এর জন্য গুগলের শর্তগুলির একটি হচ্ছে আপনার নিজস্ব ডোমেন ব্যবহার করতে হবে। যদিও গুগলের বিনামুল্যের ব্লগিং ব্যবস্থা ব্লগারে বডেসেন্স ব্যবহার করা যায় তাহলেও আপনি একে ব্যবসা হিসেবে নেয়ার সময় নিজস্ব ডোমেন এবং হোষ্টিং ব্যবহার করবেন সেটাই যুক্তিসংগত। ডোমেন বাছাইয়ের সময় কিছু নিয়ম মেনে ভাল ফল পেতে পারেন। এখানে নিয়মগুলি উল্লেখ করা হচ্ছে।
সাধারনভাবে আপনার মুল কিওয়ার্ডের সাথে মিল রেখে ডোমেন ঠিক করবেন এটাই স্বাভাবিক। অনেকে একাধিকবার একই শব্দ ব্যবহার করে ডোমেন বেছে নেন। বাস্তবে এধরনের ডোমেনের ক্ষেত্রে গুগল শান্তিমুলক ব্যবস্থা নেয়। শাস্তিমুলক ব্যবস্থা বলতে র‌্যাংকিং এ পেছনের দিকে রাখা, কম মুল্যের বিজ্ঞাপন দেখানো ইত্যাদি করা হতে পারে।
অনেক সময় একাধিক শব্দ ব্যবহারের সম্য ড্যাস (-) ব্যবহার করে পৃথক করা হয়। বর্তমানের সার্চ ইঞ্চিনগুলি ড্যাস ব্যবহার ছাড়াই শব্দকে পৃথক করতে পারে। ফলে ড্যাস ব্যাবহার করে পৃথক না করেই সরাসরি শব্দগুলিকে পরপর ব্যবহার করুন।
এমন নাম বেছে নিন যা সহজে মনে রাখা যায়। এজন্য ছোট, অর্থবোধক শব্দ বেশি উপযোগি। নাম দেখেই যেন ব্যবহারকারী সাইট সম্পর্কে কিছু ধারনা পেতে পারেন সেদিকে লক্ষ্য রাখুন।
সবশেষে এক্সটেনশন। এডসেন্স ব্যবহারের জন্য .com সবচেয়ে ভাল এক্সটেনশন। অন্য এক্সটেনশন ব্যবহারের দিকে না যাওয়াই ভাল।
ডোমেন রেজিষ্ট্রেশনের সময় যতটা সম্ভব বেশি সময়ের জন্য রেজিষ্ট্রেশন করে নিন। কোন সাইটের প্রচারের জন্যই ১ বছর কিংবা আরো বেশি সময় প্রয়োজন হতে পারে। একাধিক ডোমেন রেজিষ্ট্রেশনের সময় একই যায়গা থেকে সেগুলি নেয়ার চেষ্টা করুন।
ডোমেন কিংবা হোষ্টিং এর কাজ কোথায় করবেন ?
গুগল সার্চ করলে বিশ্বের সেরা হোষ্টিং কোম্পানীগুলির সম্পর্কে জানতে পারেন। তাদের ওয়েবসাইটে বিস্তারিত তথ্য রাখা ছাড়াও ইমেইল সহ সবধরনের মাধ্যমে যোগাযোগ করা যায়। সাধারনত তারা সবধরনের কারিগরী সহায়তা দেয়।
অন্যদেশে টাকা পাঠানোকে যদি সমস্যা মনে করেন তাহলে তাদের স্থানীয় প্রতিনিধির মাধ্যমে সেকাজ করতে পারেন। তাদেরকেও পাওয়া যাবে গুগল সার্চ করে।
Continue Reading | comments

লোগো ডিজাইনের জন্য সফটঅয়্যার

লোগো যে কোন প্রতিস্ঠানের পরিচিতি প্রকাশের সবচেয়ে জোড়ালো প্রতিক। এপল একটি খাওয়া আপেলের ছবি দিয়ে তাদের পরিচিতি প্রকাশ করে, কোকাকোলা তাদের প্রতিকে ব্যবহার করে প্রবাহিত তরলের মত লেখা দিয়ে। কোন ওয়েবপেজে নিল রঙের ওপর এফ দেখেই কেউ বুঝে যান সেটা ফেসবুকের লিংক।  এসব কারনেই প্রতিটি প্রতিস্ঠান উচু মানের লোগো ব্যবহার করতে আগ্রহি হন, অনেকে তাদের লোগো নিয়ে গর্ববোধ করেন। ডিজাইনারদের কাছেও লোগো ডিজাইন একটি বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ।
হয়ত মনে হতে পারে লোগো ডিজাইনের কাজ কয়টিই বা হতে পারে ? বাস্তবতা হচ্ছে অনেক ফ্রিল্যান্সার ডিজাইনারের কাছে লোগো ডিজাইন একমাত্র বিষয়। প্রতিটি ফ্রিল্যান্সিং সাইটে  প্রতি মুহুর্তে রয়েছে বহু লোগো ডিজাইনের কাজ। বড় কোম্পানীর লোগো পরিবর্তন থেকে শুরু করে নতুন চালু হতে যাওয়া কোম্পানী কিংবা ব্যবসায়িক ওয়েবসাইট প্রত্যেকেরই লোগো প্রয়োজন। সকলেই এপল-মাইক্রোসফটের মত লোগোর জন্য লক্ষ ডলারের ডিজাইনার ব্যবহার করতে পারেন না। ফল হিসেবে অনেকেই নির্ভর করেন ফ্রিল্যান্সারদের ওপর। প্রতিটি লোগো ডিজাইন করে একজন ডিজাইনার পেতে পারেন ৫০ ডলার থেকে ৫০০ ডলার, সময়ে ৫ হাজার ডলার কিংবা আরো বেশি।
লোগো ডিজাইনের জন্য বেশকিছু সফটঅয়্যার পাওয়া যায়। কোন সফটঅয়্যার ব্যবহারের সময় কোন বিষয়গুলি লক্ষ্য রাখবেন সেটা তুলে ধরা হচ্ছে এখানে।


.          ফন্ট/টেক্সট ব্যবহারের ব্যবস্থা
লোগোর গুরুত্বপুর্ন বিষয় টেক্সট। অনেক লোগোতে লেখাকেই কিছুটা পরিবর্তন করে বক্তব্য প্রকাশের উপযোগি করা হয় এবং এগুলিই সত্যিকারের জনপ্রিয় লোগো। কাজেই টেক্সট ব্যবহারে সুযোগ যত বেশি তত ভাল লোগো তৈরীর সম্ভাবনা। লেখা বড়ছোট করা, প্রতিটি অক্ষরকে পৃথকভাবে পরিবর্তন করার ব্যবস্থা, ঘুরানো, যায়গা পরিবর্তন, দুরত্ব কমবেশি করা, পছন্দমত রং ব্যবহার ইত্যাদি গুরুত্বপুর্ন। সেইসাথে থ্রিডি ইফেক্ট ব্যবহারের ব্যবস্থা, স্যাডো-বেভেল-এমবোস ইত্যাদি উচুমানের লোগো ডিজাইন সফটঅয়্যারে থাকে। সফটঅয়্যারের সাথে যদি বিশেষ ফন্ট দেয়া হয় সেটাও অতিরিক্ত সুবিধে।
.          ফাইল ফরম্যাট
লোগো ডিজাইন সফটঅয়্যারে জেপেগ, টিফ, বিটম্যাপ, পিএনজি ইত্যাদি ইমেজ ব্যবহারের সুযোগ থাকা প্রয়োজন এবং এদের সবগুলি ফরম্যাটে আউটপুট নেয়ার ব্যবস্থা থাকা প্রয়োজন। উল্লেখ করা যেতে পারে লোগো তৈরীর জন্য সফটঅয়্যারে সাধারনত ভেক্টর আউটপুটের ব্যবস্থা থাকে না।
.          গ্রাফিক এবং ইমেজ টুল
লোগোর রং, স্যাডো, আকার পরিবর্তন, ঘুরানো, আউটলাইন করা, উল্টানো, থ্রিডি ইফেক্ট দেয়া ইত্যাদি থাকলে পছন্দমত লোগো তৈরী সহজ হয়। সরাসরি সফটঅয়্যারের তৈরী করা লোগোর সাথে যত বেশি পরিবর্তনের সুযোগ থাকবে তত ভাল।
.          ব্যবহারের সহজতা
যারা লোগো তৈরীর কাজ করতে আগ্রহি তারা সবাই পেশাদার গ্রাফিক ডিজাইনার নিশ্চয়ই নন। মুলত যারা ডিজাইনার নন অথচ লোগো তৈরী করতে চান তাদের জন্যই এই সফটঅয়্যারগুলি। কাজেই ব্যবহার কতটা সহজ সেদিকেও দৃষ্টি দেয়া প্রয়োজন।
.          ডকুমেন্টেশন
সাধারনত সফটঅয়্যারের সাথে হেল্প হিসেবে কাজের পদ্ধত বর্ননা করা থাকে। সেখানে যত বিস্তারিত তথ্য থাকে সেই সফটঅয়্যার থেকে তত ভাল ফল পাওয়া যায়। সেইসাথে যদি অনলাইন হেল্প থাকে তাহলে আরো ভাল।

এধরনের কিছু জনপ্রিয় লোগো ডিজাইন সফটঅয়্যার হচ্ছে;
PagePlus, LogoMaker, AAA Logo, Logo Design Studio, Quick Logo Designer, LogoSmartz, Company Logo Designer
এদের মধ্যে ১ম, ৩য় এবং ৪র্থ সফটঅয়্যারে সীমিতভাবে হলেও ভেক্টর ব্যবহার করা যায়।

শেষকথা
দীর্ঘদিন গ্রাফিক ডিজাইন না শিখে যদি লোগো তৈরী করতে চান তাহলে এদের এক বা একাধিক সফটঅয়্যার ব্যবহার করে কাজ করতে পারেন। আর যদি লোগো ডিজাইনকে পুরোপুরি পেশা হিসেবে নিতে চান তাহলে আরে কিছু বিষয় আপনাকে লক্ষ করতে হবে। অনেকেই চান তাদের লোগো ভেক্টর ফরম্যাটে, আরো স্পষ্ট করে ইলাষ্ট্রেটর ফরম্যাটে। কারন লোগো যে কোন যায়গায় যে কোন মাপে ব্যবহার হতে পারে। এছাড়া যিনি লোগোর জন্য ৫০০ ডলার ব্যয় করবেন তিনি একেবারে তারজন্য তৈরী লোগো আশা করতেই পারেন, অটোমেটেড বা সেমিঅটোমেটেড লোগো তার পছন্দ হওয়ার কথা না।
কাজেই সত্যিকারের উচুমানের লোগো তৈরীর জন্য এডবি ইলাষ্ট্রেটর শেখার বিকল্প নেই।
Continue Reading | comments

এডসেন্স থেকে আয় বাড়ানোর কিছু পদ্ধতি

ব্লগ বা ওয়েবসাইট থেকে আয়ের জন্য এডসেন্সকে সবচেয়ে লোভনীয় মনে করা হয়। সারা বিশ্বেরই বহু মানুষ শুধুমাত্র এডসেন্স ব্যবহারের লক্ষে ব্লগ তৈরী করেন। অনেকেই সহজে মাসে ১০ হাজার ডলার আয় করেন, আবার বিপরীতে অনেকের এতটাই সামান্য আয় হয় যা উল্লেখ করার মত না।
এই দুইয়ের পার্থক্য বিশ্লেষন করে বের করা সম্ভব কিভাবে আয় বাড়ানো যায়। যারা বেশি আয় করেন তারা যে পদ্ধতিগুলি ব্যবহার করেন তা তুলে ধরা হচ্ছে এখানে।


.          কম খরচের বিজ্ঞাপন
ব্লগের জন্য বিজ্ঞাপন দেয়ার কথা অনেকেই ভাবেন না। অথচ বেশি ভিজিটর পাওয়ার জন্য বিষয়টি খুবই কার্যকর। ব্যক্তিগত পর্যায়ে বিজ্ঞাপনের জন্য বেশি অর্থ ব্যয় করা সম্ভব না কিন্তু খুব কম খরচেই বিজ্ঞাপন দেয়ার বহু পথ রয়েছে। জনপ্রিয় ব্লগ বা ওয়েবসাইট থেকে শুরু করে পিটিসি সাইটে কম খরচে বিজ্ঞাপন ব্যবহার করা যেতে পারে।
.          ভিজিটরকে বিজ্ঞাপনের দিকে পাঠান
আপনার সাইটে যে পেজে বেশি ভিজিটর যায় সেখানে বেশি লাভের বিজ্ঞাপন রাখবেন এটাই স্বাভাবিক। আবার এডসেন্সর এর নিয়ম অনুযায়ী সব যায়গায় বিজ্ঞাপন ব্যবহার করা যায় না। কাজেই আপনি দুটিকে এক করে ব্যবহার করতে পারেন।
যে বিজ্ঞাপন রাখা সম্ভব না সেখানে একটি লিংক রাখুন যেন ভিজিটর সেখান থেকে বিজ্ঞাপনের পাতায় যেতে পারেন। এরফলে আয়ের সম্বাবনা বাড়বে।
.          ঠিকভাবে ইমেজ ব্যবহার
ভিজিটরকে বিজ্ঞঝাপনের দিকে আকৃষ্ট করার একটি সহজ পদ্ধতি বিজ্ঞাপনের কাছাকাছি ছবি ব্যবহার করা। ভিজিটর লেখা না পড়লেও ছবিটি দেখবেন, সেইসাথে বিজ্ঞাপনের দিকেও দৃষ্টি যাবে।
অতিরিক্ত ইমেজ ব্যবহার করবেন না। এতে একদিকে যেমন পেজ লোড হতে সময় বেশি লাগে অন্যদিকে দৃষ্টি অন্যদিকে সরে যায়। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই পেজ লোড হতে বেশি সময় লাগলে ভিজিটর সেখান থেকে সরে যান।
.          এডসেন্স বিজ্ঞাপনের হিসেব রাখুন
অনেকের মতে এটা এডসেন্স থেকে আয় বাড়ানোর সেরা পরামর্শ। আপনার বিজ্ঞাপনের হিসেব রাখুন। বিজ্ঞাপন ওপরে রাখলে কি হয়, পাশে রাখলে কি হয়, নিচে রাখলে কি হয়, পোষ্টুগলির মধ্যে রাখলে কি হয় এগুলি লক্ষ্য করুন। বিভিন্ন যায়গায় রেখে, বিজ্ঞাপন কম-বেশি করে দেখুন কোন অবস্থায় সবচেয়ে ভাল ফল পাওয়া যায়। গুগল এনালাইটিকস ব্যবহার করে খুব সহজেই এই হিসেব পেতে পারেন।
.          একাধিক সাইট ব্যবহার করুন
এডসেন্স যখন আয়ের মাধ্যম তখন আয় বাড়ানোর জন্য একাধিক সাইট ব্যবহার করলে আয় বৃদ্ধি পাবে এটাই স্বাভাবিক। একাধিক সাইট ব্যবহারের সমস্যা হচ্ছে বেশি কাজ করা। অনেককে হয়ত একটাই সাইট ঠিক রাখতে এতটা সময় দিতে হয় যে অন্য সাইটের কথা ভাবাও কষ্টকর। তারপরও, প্রয়োজনে অন্যের সহযোগিতা নিয়ে, ফ্রিল্যান্সার ব্যবহার করে একাধিক সাইট পরিচালনা করতে পারেন।
গুগল একজন ব্যক্তিকে একটিমাত্র সাইটে এডসেন্স ব্যবহারের অনুমোদ দেয় একতা মনে আছে নিশ্চয়ই। যদি একাধিক সাইটের জন্য এডসেন্স আবেদন করতে চান তাহলে ভিন্ন নাম-ঠিকানা-ইমেইল ব্যবহার করুন।

এডসেন্স এবং বাংলাদেশ
যারা বাংলাদেশ থেকে এডসেন্স ব্যবহার করতে চেষ্টা করেছেন তাদের মধ্যে সফল হওয়ার উদাহরন তুলনামুলক কম। কারনগুলিও বোধগম্য। বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহার করে শতকরা ১ জন। যারা ব্যবহার করেন তারা নিতান্ত প্রয়োজন বা আগ্রহের সাইটের বাইরে যান না। আরেকটি বড় কারন বাংলাদেশে অনলাইনে কেনাকাটার ব্যবস্থা নেই। বিজ্ঞাপনে সাধারনত কেনার আগ্রহ নিয়ে ক্লিক করার কথা, যেহেতু কেনার সুযোগ নেই সেহেতু ক্লিক করারও কোন কারন নেই। তৃতীয়ত গুগল বাংলা সাইটের জন্য এডসেন্স অনুমোদন দেয় না। কাজেই বাংলা সাইটে যথেষ্ট সংখ্যক আগ্রগি ভিজিটর গেলেও সেখানে এডসেন্স ব্যবহার করতে পারেন না।
অনলাইনে কেনাকাটার সুযোগ তৈরী (পেপলসহ অন্যান্য লেনদেনের ব্যবস্থা সহজ করা) না হলে এবং ইন্টারনেটের উন্নতি না হলে বাংলাদেশ থেকে এডসেন্স থেকে আয়ের সুযোগ তাই সীমিত।
যদি এডসেন্স ব্যবহার করতে চান তাহলে অন্যান্য নিয়মগুলিও জেনে নেয়া জরুরী। এই সাইটে অনেকগুলি লেখায় এডসেন্স ব্যবহারের নিয়ম উল্লেখ করা হয়েছে।
Continue Reading | comments

ব্যানার বিজ্ঞাপন তৈরীর জন্য AdKreator

আপনি ইন্টারনেটে প্রচারের জন্য ব্যানার বিজ্ঞাপন তৈরী করতে চান। এজন্য দুটি পথে যেতে পারেন। নিজেই গ্রাফিক ডিজাইন শিখে কাজটি করতে পারেন। অথবা কাউকে টাকা দিয়ে কাজটি করাতে পারেন।
তৃতীয় আরেকটি পথ হতে পারে এড-ক্রিয়েটর নামের পদ্ধতি। তাদের সদস্য হবেন, টেম্পলেট থেকে ডিজাইন সিলেক্ট করবেন, নিজের টেক্সট টাইপ করে দেবেন। এরপর সেটা ব্যবহার করবেন। এমনকি সেটা ডাউনলোড করার প্রয়োজনও নেই, সরাসরি তাদের সার্ভারে রেখেই ব্যবহার করা যাবে।
এড-ক্রিয়েটর পুরোপুরি ইন্টারনেটভিত্তিক ব্যবস্থা। কোন সফটঅয়্যার ডাউনলোড-ইনষ্টল করার প্রয়োজন নেই। নিয়মিত ইন্টারনেট ব্যবহার করলে হয়ত এরই মধ্যে বহু বিজ্ঞাপন দেখেছেন তাদের ব্যবস্থায় তৈরী। আন্তর্জাতিকভাবে হিসেব করা হয় একটি ব্যানার বিজ্ঞাপন তৈরীর খরচ ৫০ ডলার। সেখানে এই পদ্ধতি ব্যবহার করা যায় বিনা খরচে।
এড-ক্রিয়েটরে দুধরনের একাউন্ট ব্যবহার করা যায়। একটি বিনামুল্যের। তাদের সাইটে গিয়ে সদস্য হবেন এবং ব্যবহার করতে থাকবেন। সীমাবদ্ধতা হচ্ছে আপনি একটিমাত্র টেম্পলেট সেভ করার সুযোগ পাবেন। অন্য টেম্পলেটগুলি দেখার ব্যবস্থা থাকলেও সেভ করা যাবে না। বিজনেস একাউন্টে সবগুলি টেম্পলেট ব্যবহার করা যাবে। এজন্য ১৯.৯৫ ডলার দিতে হয়। তাদের রয়েছে শতশত টেম্পলেট, সাধারনত প্রতি সপ্তাহে নতুন টেম্পলেট যোগ করা হয়।

এফিলিয়েশন থেকে আয়
তাদের বিনামুল্যের সদস্য হয়েও এফিলিয়েশন থেকে আয় করতে পারেন। তাদের লিংক প্রচার করলে সেখান থেকে যা আয় হবে তার ভাগ পাবেন। বিনামুল্যের সদস্য হিসেবে ৫% এবং বিজনেস একাউন্টের জন্য ৩০%।
কাজেই এফিলিয়েশনের আয়ের পথ হিসেবেও একে ব্যবহার করতে পারেন। যত বেশি বিক্রি হবে আপনার আয় তত বেশি এই নিয়মে নিয়মিত আয় হতে থাকবে।

তাদের ঠিকানা : www.adkreator.com
Continue Reading | comments

ব্লগ-ওয়েবসাইটে ভিজিটর বাড়ানোর জন্য কি করতে পারেন

ব্যবসায়িক ওয়েবসাইট হোক আর শখের বসে করা ব্লগই হোক, আপনি চান বহুসংখ্যক মানুষ আপনার সাইট দেখুক। সেকারনেই আপনি তাকে ইন্টারনেটে রেখেছেন। একইসাথে যদি আয়ের সম্পর্ক থাকে তাহলে ভিজিটর বেশি মানে আয় বেশি।
ওয়েবসাইট ট্রাফিক বাড়ানোর প্রধান পথ ৩টি, সাইটটি কতটা দৃশ্যমান, কত সহজে তাকে পাওয়া যায় এবং কিভাবে সেটা রক্ষনাবেক্ষন করা হয়।
ওয়েবসাইট শুন্যে অবস্থান করতে পারে না। ক্রমাগত পরিবর্তনশীল এক জগতে তার অবস্থান। কাজেই সাইট তৈরী করে রেখে দিলে নিজে থেকেই সেখানে ভিজিটর বাড়তে থাকবে এটা ভুল ধারনা। ক্রমাগত অন্যান্য পরিবর্তনের সাথে মিল রেখে সেখানেও পরিবর্তণ আনতে হয়। যদি সেটা না করা হয় তাহলে ভিজিটর কমতে থাকবে এবং একসময় সাইটের মৃত্যু ঘটবে।
উদাহরন দিয়ে বিষয়টি দেখা যাক।
আপনি একটি বাগান করেছেন। সেখানে ঢোকার পথটির যদি যত্ন না নেন তাহলে একসময় সেটা আগাছায় ঢেকে যাবে। কারো জানার সুযোগ হবে না সেখানে বাগান আছে। আপনাকে জানাতে হবে আপনার একটি সাইট আছে। সেই পথটি ব্যবহার করা যদি কষ্টকর হয় তাহলেও কেউ সেদিকে যাবে না। আবার বাগানের মধ্যে যদি গাছপালার যত্ন না নেয়া হয় তাহলেও সেটা আকর্ষন হারাবে।
বাস্তবে কাজগুলি কিবাবে করা হয় দেখা যাক;
.          সঠিক কিওয়ার্ড ব্যবহার
সঠিক কিওয়ার্ড ব্যবহার সাইটে ভিজিটর পাওয়ার জন্য খুবই গুরুত্বপুর্ন। অধিকাংশ ক্ষেত্রে ভিজিটরের মুল উতস সার্চ ইঞ্জিন। আপনি এমন কি ওয়ার্ড ব্যবহার করবেন যা লিখে ভিজিটররা সার্চ করেন। তাকে ব্যবহার করবেন পোষ্টের টাইটেলে, ট্যাগে, লেখার ভেতরে। কোন কিওয়ার্ড যাচাই করার জন্য সেটা টাইপ করে সার্চ করুন এবং ফল দেখুন। আপনার সাইটে যারা ভিজিট করে তারা কোন কিওয়ার্ড ব্যবহার করে সেদিকে লক্ষ রাখুন। প্রয়োজনে সামান্য এদিক-ওদিক করে যে কিওয়ার্ড বেশি ব্যবহৃত হয় সেটা ব্যবহার করুন।
.          ডিরেক্টরী ব্যবহার
অনেক ভিজিটর ইন্টারনেট ডিরেক্টরী থেকে সাইটের ঠিকানা ব্যবহার করেন। অসংখ্য ইন্টারনেট ডিরেক্টরী রয়েছে যেখানে বিনা খরচে সাইটের পরিচয় লিখে রাখতে পারেন।
.          সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন
সার্চ ইঞ্জি কিভাবে আপনার সাইটকে দেখে বিষয়টি খুবই গুরুত্বপুর্ন। সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের জন্য বহু পদ্ধতি রয়েছে এবং এবিষয়ে অনেকগুলি লেখা রয়েছে এই সাইটে। সেগুলিকে কাজে লাগান।
.          পেজ ঠিক রাখা
আপনার সাইটের পেজগুলি ঠিকভাবে রাখা গুরুত্বপুর্ন। কোন লিংক নষ্ট হয়ে গেলে সেটা সাইট সম্পর্কে খারাপ ধারনা তৈরী করে এবং এর প্রভাব পড়ে সার্চের ওপর। একইভাবে কোন পেজ দ্রুত লোড হওয়া, সঠিক ফন্ট-গ্রাফিক ব্যবহার সবকিছুই ভিজিটর আনা এবং ধরে রাখার ক্ষেত্রে ভুমিকা রাখে।
.          ভাল বিষয় রাখা
প্রয়োজনীয় তথ্য, সুন্দর ছবি বা ভিডিও সাইটের জন্য গুরুত্বপুর্ন। ভিজিটর যদি সেখানে ভাল লাগার মত কিছু না পান তাহলে সেখানে দ্বিতীয়বার আসবেন না এটাই স্বাভাবিক।
.          ব্লগ ব্যবহার এবং নিয়মিত আপডেট করা
সার্চ ইঞ্জিন ব্লগকে পছন্দ করে কারন ব্লগ নিয়মিত আপডেট করা হয়। প্রতিবার আপডেট করার সময় সেই তথ্য সার্চ ইঞ্জিনে যায় (অথবা পাঠাতে হয়)। ক্রমাগত এভাবে তথ্য যেতে যেতে একসময় ব্লগ সার্চ রেজাল্টের সামনের দিকে উঠে আসে।
আপনার যদি ষ্ট্যাটিক ওয়েবসাইট হয় তাহলে হয়ত এই সুবিধে পাওয়ার সম্ভাবনা কম। একারনে প্রচার বাড়ানোর জন্য অনেকেই ব্লগ তৈরী করেন এবং এরসাথে সাইটের লিংক জুড়ে দেন।
.          লিংক বিনিময় করা
অন্য ব্লগ বা ওয়েবসাইটের সাথে লিংক বিনিময় করা ভিজিটর বাড়ানোর একটি কার্যকর পদ্ধতি। অন্যের সাইটে নিজের সাইটের লিংক রাখার ব্যবস্থা করুন এবং নিজের সাইটে অন্যের লিংক রাখুন। দুজনারই লাভ এতে। অনেক সময় অন্যের সাইটে মন্তব্য লিখে এটা করা হয়। অনেকে মন্তব্য লেখার সময় নিজের সাইটের বিজ্ঞাপন হিসেবে ব্যবহারের চেষ্টা করেন। এটা ভুল পদ্ধতি। সেই সাইটের মডারেটর সেটা পছন্দ না করলে মুছে দেবেন। বরং এমন মন্তব্য লিখুন যা সেই সাইটের সাথে মানানসই, সাথে নিজের লিংক ব্যবহার করুন।
.          বিজ্ঞাপন ব্যবহার
ব্যক্তিগত ব্লগের জন্য আপনি নিশ্চয়ই অর্থব্যয় করে বিজ্ঞাপন দেবেন না, কিন্তু ব্যবসায়িক বিষয় থাকলে বিষয়টি খুবই গুরুত্বপুর্ন। অন্য সাইটে ব্যানার বিজ্ঞাপন থেকে শুরু করে পিটিসি সাইটে বিজ্ঞাপন এগুলি খুবই দ্রুত কাজ করে। সামান্য পরিমান অর্থ ব্যয় করে পিটিসি সাইটের মাধ্যমে নিশ্চিত লক্ষ ভিজিটর পেতে পারেন।
.          ই-মেইল সিগনেচার
ই-মেইল ব্যবহারের সময় সাইটের পরিচিতি লিখে ব্যবহার করুন। এরফলে খুব সহজেই অন্যেরা সাইট সম্পর্কে জানবেন এবং লিংক থেকে সাইটে যাওয়ার সুযোগ পাবেন।

আগেই উল্লেখ করা হয়েছে ইন্টারনেট অত্যন্ত দ্রুত পরিবর্তনশীল জগত। নির্দিষ্ট কিছু পদ্ধতি ব্যবহার করে সাফল্য পেতেই থাকবেন এমন কথা নেই। ক্রমাগত পরিবর্তনগুলি লক্ষ করুন এবং তারসাথে মিল রেখে পদক্ষেপ নিন।
Continue Reading | comments

ব্লগে গুগল এনালাইটিক্স ব্যবহার

সফল ব্লগিং এর জন্য ভাল মানের ব্লগ তৈরী করা, সেখানে উচুমানের কন্টেন্ট রাখা, প্রচারের জন্য সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের পদ্ধতিগুলি প্রয়োগ করা গুরুত্বপুর্ন। সেইসাথে আরো একটি গুরুত্বপুর্ন বিষয় হচ্ছে সাইটের সমস্ত তথ্য নিয়মিত পর্যালোচনা করা।
ব্লগার বা ওয়ার্ডপ্রেস সাইটে খুব সহজে পরিসংখ্যান দেখার ব্যবস্থা রয়েছে। কতজন ভিজিটর ভিজিট করেছে, কোন পোষ্ট কতবার দেখা হয়েছে  এসব তথ্য জানার জন্য পরিসংখ্যান পাওয়া যায় ড্যাসবোর্ড থেকেই। এর পরও আরো কিছু তথ্য জানা প্রয়োজন হতে পারে যা এখানে পাওয়া যায় না। যেমন ঠিক কোন এলাকা থেকে ভিজিটর এসেছেন, তারা সাইটে কত সময় কাটিয়েছেন, গড়ে কতগুলি পেজ ভিজিট করেছেন, কতজন সাইটে ঢুকেই ফেরত গেছেন। অথচ সফল ব্লগিং এর জন্য তথ্যগুলি খুবই গুরুতক্বপুর্ন। এই তথ্যগুলি পর্যালোচনা করে আপনি সাইটকে আরো আকর্ষনীয় করতে পারেন।
গুগল এনালাইটিকস নামের একটি বিনামুল্যের সেবা এই সুযোগ দিতে পারে। সেখানে সাইটের ঠিকানা দিয়ে সদস্য হলে কয়েখ লাইন কোড দেয়া হবে। সেটা কপি করে ব্লগ বা ওয়েবসাইটে পেষ্ট করে দেবেন। এই সফটঅয়্যার প্রতি ভিজিটের তথ্য সংগ্রহ করবে।
এখানে যে তথ্যগুলি পাওয়া যায় এবং সেগুলি থেকে কি উপকার পেতে পারেন সেটা জানানো হচ্ছে সংক্ষেপে;
মোট ভিজিট এবং ইউনিক ভিজিট : সাধারনভাবে মোট ভিজিটের সংখ্যা আপনি জানতে পারেন কিন্তু তাদের মধ্যে ইউনিক ভিজিটর কতজন জানতে এনালাইটিক্স প্রয়োজন। ইউনিক ভিজিটর হচ্ছে ঠিক কতজন সাইটটি দেখেছেন। উদাহরন হিসেবে একজন ব্যক্তি ১০টি পেজ ভিজিট করলে মোট ভিজিট হবে ১০, ইউনিক ভিজিট ১।
গড় অবস্থানের সময় : সাইটে ভিজিটর গড়ে কত সময় কাটিয়েছেন জানা যাবে এনালাইটিকস থেকে। স্বাভাবিকভাবেই সময় যত বেশি সাইটের মান তত ভাল বুঝায়। সাধারনভাবে ব্লগে ৫ মিনিট সময়কে ভাল মনে করা হয়। উল্লেখ করা যেতে পারে এই সাইটে গড় সময় ১১ থেকে ১২ মিনিটের মধ্যে।
বাউন্স রেট : কোন ভিজিটর সাইটে এসে সাথেসাথে চলে গেলে তাকে বলা হয় বাউন্স। শতকরা হারে এটা প্রকাশ করা হয়। বাউন্স রেট ৪০ পর্যন্ত স্বাভাবিক। যদি ৮০ কিংবা আরো বেশি হয় তাহলে ধরে নিতে পারেন সাইটটি ভিজিটরকে আকর্ষন করতে পারছে না।
নতুন এবং নিয়মিত ভিজিটর : মোট ভিজিটরদের মধ্যে নতুন ভিজিটর (প্রথমবার ভিজিট করা) এবং নিয়মিত ভিজিটরের শতকরা হিসেব জানতে পারেন। কোনটি বেশি হলে ভাল বিষয়টি নির্ভর করে সাইটের ধরনের ওপর। নিয়মিত ভিজিটর বেশি হওয়ার অর্থ তারা আপনার সাইট পছন্দ করছেন, আর নতুন ভিজিটর বেশি হওয়ার অর্থ ভিজিটর সহজে আপনার সাইট খুজে পাচ্ছেন। এর বিপরীত অবস্থার কথাও ভাবতে পারেন।
শহর ভিত্তিক তথ্য : কোন দেশ, কোন শহর থেকে কতজন ভিজিটর এসেছেন তাদের বিস্তারিত তথ্য জানা যায় এখান থেকে।
ভিজিটরের সুত্র : ভিজিটরদের মধ্যে কতজন সার্চ ইঞ্জিন বা অন্যভাবে এসেছেন সে তথ্য জানা যায়।

সমস্ত তথ্য গ্রাফ হিসেবে দেখার ব্যবস্থা রয়েছে। ইচ্ছে করলে একমাসের তথ্যের সাথে আগের মাসের তথ্য তুলনা করে গ্রাফ হিসেবে দেখতে পারেন। এবং সেখান থেকে সহজে জেনে নিতে পারেন আপনার ব্লগ কতটা উন্নতি করছে। ইচ্ছে করলে কিভাবে রিপোর্ট চান সেটা বলে দিতে পারেন।
ব্লগার ব্যবহারকারীরা ড্যাসবোর্ড থেকেই এনালাইটিকস সাইটে গিয়ে সদস্য হতে পারেন। অথবা সরাসরি তাদের সাইটে যেতে পারেন। সাইটের ঠিকানা : www.google.com/analytics/
সেখানে যাওয়ার পর স্ক্রিনের নির্দেশ মেনে কাজ করুন।
Continue Reading | comments

ব্লগার এর ৭ পাপ

৭ পাপ বলে একটি কথা সারা বিশ্বেরই প্রচলিত। প্রচলিত এই ৭টি বৈশিষ্ট মানুষের অন্য সমস্ত কৃতিত্ব ক্ষতিগ্রস্থ করে। একজন ব্লগারের কাছে কি এমন কোন বিষয় আছে যা একইভাবে ক্ষতিকর হতে পারে।
যারা ব্লগিং নিয়ে দীর্ঢ়দিন কাজ করছেন, ভাল-মন্দ পর্যালোচনা করছেন তারা তেমনটাই বলছেন। তাদের বক্তব্য এধরনের কিছু বৈশিষ্ট ব্যক্তির অন্যান্য ক্ষেত্রে যেমন ক্ষতি করে তেমনি ব্লগিং এর ক্ষেত্রেও ক্ষতিকর।  ব্যক্তিগত বা ব্যবসায়িক যে ধরনের ব্লগই হোক, কিংবা ফেসবুক-টুইটার ব্যবহার হোক, সব ক্ষেত্রেই এই বৈশিষ্টগুলি সমান ক্ষতিকর।
সচেতনতার জন্য বিষয়গুলি এখানে তুলে ধরা হচ্ছে।
.          আত্মবিশ্বাস অত্যন্ত ভাল জিনিষ কিন্তু সেটা সীমার মধ্যে থাকা উচিত। একজন ব্লগার নিজেই সব করতে পারেন একথা ভাবা তারাজন্য ক্ষতিকর। সহজ একটি উদাহরন, ব্লগের প্রচারের জন্য কারো সাহায্য প্রয়োজন নেই একথা ধরে নিলে নিজেরই ক্ষতি হয়। অন্যের সাথে লিংক বিনিময় করুন, দুজনারই উপকার।
.          আরেকটি জনপ্রিয় ব্লগের অনুকরনে নিজের ব্লগ করলে সেটাও দ্রুত জনপ্রিয় হবে, এটা বড় ধরনের ভুল ধারনা। ভিজিটর নতুন কিছু আশা করেন, একই বিষয় নিয়ে বহু ব্লগ আশা করেন না। যত দ্রুত নিজেস্ব বিষয় তুলে ধরা যায় ততই ভাল। প্রতিটি ব্লগ সমমানের হয় না কিন্তু কোন বিষয়ে নিজস্বতা থাকা প্রয়োজন হয় সকলেরই।
.          ফেসবুক-টুইটারের সব ফলোয়ার কিংবা এধরনের সবকিছু আপনার পক্ষে কাজ করবে এটা ধরে নেয়া আরেকটি খারাপ দিক। অনায়াকে একে স্প্যাম হিসেবে বিবেচনা করা হতে পারে যা আপনার বিপক্ষে কাজ করবে। সত্যিকারের ভিজিটর পাওয়ার জন্য ব্লগের বিষয়গুলি উন্নত রাখা খুবই গুরুত্বপুর্ন। দ্রুত ভিজিটর বাড়ানোর জন্য এধরনের পথ অবলম্বর ব্লগারের জন্য শেষ পর্যন্ত ক্ষতিকর হয়ে দাড়ায়।
.          অর্থের লোভ ব্লগারের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। ব্লগিং থেকে বছরে লক্ষ ডলার আয় করা যায় একথা প্রচলিত কিন্তু বাস্তবে অল্পকিছু ব্লগই সেই সাফল্য দেখে। কোন ব্লগ জনপ্রিয় হওয়ার পরও সেখানে আয় না আসতে পারে, বিপরীতভাবে ততটা জনপ্রিয় না হয়েও কোন ব্লগ থেকে ভাল আয় আসতে পারে। অর্থের জন্য ব্লগ এবং জনপ্রিয় সফল ব্লগ দুটিকে ভিন্নভাবে দেখাই ভাল।
.          রাগ বা বিক্ষিপ্ত মন নিয়ে ব্লগে কিছু লেখা ক্ষতিকর। এরফলে কোন ব্যক্তি বা গোষ্ঠি ব্লগারের শত্রুতে পরিনত হতে পারেন যারা ক্রমাগত ক্ষতির চেষ্টা করে যাবেন। সাধারনভাবে বলা হয় ব্লগারের চামড়া হতে হয় গন্ডারের মত। অনেকে অকারনে গালাগালি করতে পছন্দ করে এটা ধরে নিয়ে সেভাবে প্রস্তুত থাকাই ভাল।
.          ব্লগে মুল বিষয়ের চেয়ে বিজ্ঞাপন বেশি এমন ব্লগ নিশ্চয়ই দেখেছেন। আপনি নিজে কি তেমন ব্লগ পছন্দ করেন ? নিজের ব্লগের ক্ষেত্রেও ভিজিটরের মনোভাব কল্পনা করুন। তারা বিজ্ঞাপন দেখার জন্য ব্লগে যায় না, সেখানে বক্তব্য কি সেটাই জানতে চায়।
.          ব্লগে ব্যবহারের জন্য নানারকম আকর্ষনীয় বিষয় রয়েছে। ইচ্ছে করলে সেখানে ইউটিউব ভিডিও দেখাতে পারেন, ম্যাপ দেখাতে পারেন, ছবি দেখাতে পারেন। কিন্তু সেগুলি নিয়ে ভিজিটরের আগ্রহ আছে কি ? এধররেন যাকিছু যোগ করা হবে ব্লগ তত ওপেন হতে তত বেশি সময় প্রয়োজন হবে। কি-কি দেখানো যায় এখানে চিন্তা না করে কি কি প্রয়োজন সেভাবে চিন্তা করাই ভাল।

সফল ব্লগিং এর মুল হচ্ছে অল্প কথা। সংক্ষেপে শুধুমাত্র প্রয়োজনীয় বিষয়টুকুই ব্লগে রাখা ভাল। অতিরিক্ত কথা বলা মানুষকে অনেকেই পছন্দ করেন না, ব্লগের ক্ষেত্রে কথাটি সমভাবে প্রযোজ্য।
Continue Reading | comments

ডোমেন রেজিষ্ট্রেশন, হোষ্টিং, সাইট তৈরীর বিভিন্ন বিষয়

বাংলা-টিউটর সাইটে ডোমেন, হোষ্টিং, ওয়েবসাইট কিংবা ব্লগ নিয়ে অনেক বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে। সাধারনভাবে এই বিষয়গুলি ঠিক কি উল্লেখ করা হয়নি। বাস্তবতা হচ্ছে, এগুলি প্রাথমিক বিষয় হলেও বাংলাদেশে নিয়মতান্ত্রিকভাবে শেখার সুযোগ কম। সেকারনে বিষয়গুলি অনেকের কাছে ততটা স্পষ্টভাবে বোঝার ব্যাবস্থাও নেই। খুব সহজেই ভুল বোঝার সম্ভাবনা থেকে যায়।
এই বিষয়গুলি সম্পর্কে ধারনা দেয়া হচ্ছে এখানে।

ডোমেন এবং রেজিষ্ট্রেশন
ডোমেনকে ওয়েবসাইটের নাম বা ঠিকানা দুইই বলতে পারেন। যে শব্দ ব্যবহার করে সাইটের পরিচয় সেটাই ডোমেন। একই নামে একাধিক ওয়েবসাইট থাকতে পারে না। এই বিষয়টি নিশ্চিত করতে ডোমেন নিয়ন্ত্রন করে বিশেষ সংস্থা। আপনি সাইটের যে নাম ব্যবহার করতে চান সেটা আপনাকে কিনতে হয় (টাকা দিয়ে) তাদের কাছে। এটাই ডোমেন রেজিষ্ট্রেশন। কেনার পর প্রতি বছর সেই ডোমেন ব্যবহারের জন্য টাকা দিতে হয়। এই পরিমান কমবেশি হয় বিভিন্ন কারনে। সাধারনভাবে বছরপ্রতি ২ থেকে ২৪ ডলার পর্যন্ত (কিংবা আরো বেশি) দিতে হতে পারে। বিনা টাকায় নিজস্ব ডোমেন ব্যবহার করার কোন সুযোগ নেই।
ধরুন একটি সাইটের ডোমেন mysite. এই নামের শেষে .com. .net, .edu, .org ইত্যাদি বিভিন্ন এক্সটেনশন থাকতে পারে। এক্সটেনশন অনুযায়ীও টাকা কমবেশি হয়। যেমন ডট কম এর দাম ডট এডু থেকে বেশি।
এই সাইটের নামটি লক্ষ করুন। deshitunes.blogspot.com এর মাঝখানে ব্লগস্পট অংশটি মুল ডোমেন, বাংলা-টিউটর তার সাব-ডোমেন। একটি ডোমেন এর অধিনে কতগুলি সাব-ডোমেন থাকবে সেটা নির্ভর করে সার্ভারের ওপর। আপনার নিজস্ব ডোমেন এর সাথেও সাব-ডোমেন ব্যবহার করতে পারেন। সাব-ডোমেন এর জন্য পৃথকভাবে রেজিষ্ট্রেশন প্রয়োজন হয় না।
বিনামুল্যের হোষ্টিংগুলি (ব্লগার কিংবা ওয়ার্ডপ্রেস) আপনাকে সাব-ডোমেন ব্যবহারের সুযোগ দেয়। এর সুবিধে হচ্ছে আপনাকে ডোমেন রেজিষ্ট্রেশন কিংবা ফাইলগুলি রাখার জন্য সার্ভারের খরচ দিতে হয় না। আর অসুবিধে হচ্ছে, আপনার পুরো স্বাধীনতা নেই। তারা ইচ্ছে করলেই আপনার সাইট বন্ধ করে দিতে পারে। কোন কোন সেবা (এফিলিয়েশন) ব্যবহারের সময় নিজস্ব ডোমেন না থাকলে অনুমতি দেয়া হয় না।
বিষয়টির আরেকটি উদাহরন হতে পারে এমন। আপনি নিজের নামে ডোমেন রেজিষ্ট্রেশন করলেন, হোষ্টিং সেবা কিনলেন। এখন ব্লগারে তৈরী ব্লগের সেটিংএ যদি সেই ডোমেন ব্যবহার করেন তাহলে বর্তমান ব্লগস্পট থেকে সমস্ত ফাইল সেখানে চলে যাবে (ব্লগার নিজেই সেটা করে দেয়)। সুবিধে হিসেবে আপনি একদিকে ব্লগার ব্যবহার করছেন অন্যদিকে নিজস্ব ডোমেন-হোষ্টিং ব্যবহার করছেন। গুগলের ব্লগার ব্যবহার করেও আপনি স্বাধীন, তারা আপনার সাইট মুছে দিলে আপনি তাদের নামে মামলা করতে পারেন।
ওয়ার্ডপ্রেস, জুমলা, দ্রুপল ইত্যাদির হিসেব কিছুটা ভিন্ন। এই সফটঅয়্যারগুলি বিনামুল্যের। ডাউনলোড করে নিজের সাইট তৈরীর কাজে ব্যবহার করতে পারেন। এরপর তাদের সেখানে কোন নিয়ন্ত্রন নেই। ব্লগার থেকে পার্থক্য হচ্ছে, আপনি নিজস্ব ডোমেনে ব্লগার ব্যবহার করলেও তারা যখনই সফটঅয়্যারে কোন পরিবর্তন আনবে আপনাকে সেই পরিবর্তন ব্যবহার করতে হবে। সবসময়ই সেটা তাদের সার্ভার থেকে কাজ করে। নিজস্ব ডোমেনে ওয়ার্ডপ্রেস  ব্যবহারের সময় সেটা পুরোপুরি পৃথক সফটঅয়্যার। বিনামুল্যের হোষ্টিং ভার্শন অবশ্য ব্লগারের মত।

হোষ্টিং
আপনার ওয়েবসাইটে ব্যবহার করা ফাইলগুলি এমন কোথাও রাখা প্রয়োজন যেখানে থাকলে ইন্টারনেটে যে কোন যায়গা থেকে ব্যবহার করা যাবে। হোষ্টিং সার্ভিস নামের একাজটি করে একধরনের প্রতিস্ঠান। তাদের সাথে চুক্তি করার সময় আপনি ঠিক করেন সেখানে কত পরিমান (মেগাবাইট বা গিগাবাইট) যায়গা আপনি ব্যবহার করবেন, সেই অনুযায়ী টাকা দিতে হয়। অর্থাত আপনি তাদের কাছে নির্দিষ্ট পরিমান যায়গা ভাড়া করছেন।
অনেক প্রতিস্ঠান বিনামুল্যে এই সেবা দেয়। মুলত তারা আয় করে বিজ্ঞাপন বা অন্যভাবে।
ব্লগার কিংবা ওয়ার্ডপ্রেস বিনামুল্যের ব্যবস্থা (ডট কম) ব্যবহারের সময় সরাসরি তাদের সার্ভারে কাজ করতে হয়। নিজস্ব ডোমেনে ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহারের জন্য নিজের কম্পিউটারে সাইট তৈরী করে (লোকাল হোষ্ট ব্যবহার করে। এবিষয়ে টিউটোরিয়াল রয়েছে এই সাইটে) সবকিছু ঠিক থাকার পর তাকে সার্ভারে আপলোড করতে পারেন। একবার আপলোড করার পর সাইটের পরিবর্তনের কাজগুলি সরাসরি সার্ভারে করতে পারেন।
যারা হোষ্টিং সেবা দেন তারা সাধারনত ডোমেন রেজিষ্ট্রেশনে সাহায্য দেন। অনেকেই তাদের সেবা বিক্রির জন্য কমমুল্যে ডোমেন রেজিষ্ট্রেশন করার ব্যবস্থা রাখেন।

ব্লগ, ষ্ট্যাটিক/ডায়নামিক ওয়েবসাইট
আপনি কয়েক পাতার একটি ওয়েবসাইট তৈরী করে অনলাইনে রাখতে চান। বিভিন্ন কোম্পানীর পরিচিতি তুলে ধরার জন্য যা করা হয়। এগুলি ষ্ট্যাটিক সাইট। নিয়মিতভাবে এগুলি পরিবর্তণ হয় না।
যদি নিয়মিতভাবে নতুন নতুন তথ্য যোগ করা, পরিবর্তণ করা, কিংবা ব্যবহারকারীর ব্যবহারের সময় নানারকম পরিবর্তনের ব্যবস্থা থাকে সেগুলিকে ডায়নামিক সাইট। অনলাইনে ফরম পুরন করা থেকে শুরু করে কেনাকাটা বা ইন্টারনেট ব্যবহার করে করা যায় তার সবকিছুই এধরনের সাইটে করা যায়। বর্তমান যুগে এত বিভিন্ন ধরনের সাইট রয়েছে যেভানে নির্দিষ্ট ভাগ করা অসম্ভব। তারপরও, একধরনের সাইটকে বলা হয় কন্টেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিষ্টেম (সিএমএস)। নাম যেমনটা প্রকাশ করে, সেখানে টেক্সট, ভিডিও, ইমেজ ইত্যাদি বিভিন্ন কন্টেন্ট রাখা হয় এবং নানাভাবে সেগুলি ব্যবহারের ব্যবস্থা থাকে। উইকিপিডিয়া এধরনের সাইট।
ওয়েব + লগ, সংক্ষেপে ব্লগ আরেক ধরনের সাইট। অনেকটাই অনলাইন ডায়রীর মত। আপনি দিনের হিসেবে তথ্য যোগ করবেন এবং সেগুলিও তারিখ হিসেবে সাজানো থাকবে। এই সাইট এধরনের ব্লগ।
ব্লগ এবং সিএমএস এর মধ্যে পার্থক্য করা অনেক সময় কঠিন। ওয়ার্ডপ্রেস-জুমলা ইত্যাদি দুকাজেই ব্যবহার করা হয়। অন্যদিকে ব্লগার মুলত ব্লগিং এর জন্যই।

আপনি কি করতে পারেন
এই বিষয়গুলি একসাথে করে আপনার স্বাভাবিক প্রশ্ন হতে পারে,  এদেরকে কিভাবে কাজে লাগাবেন।
আপনার বিবেচ্য বিষয় হতে পারে এমন;
.          আপনি কোন ধরনের সাইট তৈরী করতে চান। সেখানে কি রাখা হবে, কে ব্যবহার করবে ইত্যাদি বিবেচনা করে ঠিক করতে পারেন সাইটের ধরন।
.          কোন সফটঅয়্যার আপনার জন্য বেশি উপযোগি। বিনামুল্যের ব্লগিং এবং সাথে বিজ্ঞাপন থেকে আয়ের জন্য ব্লগার পছন্দ হতে পারে, আয়ের বিষয় বাদ দিয়ে শুধুমাত্র ব্লগিং এর জন্য ওয়ার্ডপ্রেস পছন্দ হতে পারে, অথবা আয়ের বিষয় বেশি গুরুত্বপুর্ন হলে নিজস্ব ডোমেনে ওয়ার্ডপ্রেস হতে পারে। আর ষ্ট্যাটিক সাইট তৈরীর জন্য মাইক্রোসফট ওয়ার্ড থেকে শুরু করে এধরনের যে কোন সফটঅয়্যার ব্যবহার করা যেতে পারে। সহজে সাইট তৈরীর বহু সফটঅয়্যার পাওয়া যায়।
.          নিজস্ব ডোমেন এবং হোষ্টিং প্রয়োজন কতটুকু। ব্লগার এবং ওয়ার্ডপ্রেস দুটিকেই বিনামুল্যে ব্যবহার করা যায় আবার নিজস্ব ডোমেন-হোষ্টিং এ ব্যবহার করা যায়। আপনি ঠিক করতে পারেন আপনার কোনটি প্রয়োজন। উচুমানের সাইট তৈরীতে যেহেতু অনেক সময় প্রয়োজন হয় সেহেতু বিনামুল্যে শুরু করা ভাল সিদ্ধান্ত হতে পারে। পরবর্তীতে তাকে নিজস্ব ডোমেনে সরানো যায়। ব্লগার ব্লগকে ওয়ার্ডপ্রেস ব্লগে পরিনত করা যায়।

মোটকথা, সরাসরি ওয়েবসাইট তৈরীর কাজে হাত না দিয়ে প্রথমে কাগজে-কলমে ঠিক করুন আপনি ঠিক কি করতে চান। সেজন্য আপনার কি কি প্রয়োজন। কতদিনে তাকে পুর্নাঙ্গ সাইটে পরিনত করবেন।
Continue Reading | comments

মা্ত্র ৫ মিনিটে তৈরি করুন জুমলা, ওয়ার্ডপ্রেস, ব্লগস্পট টেম্প্লেট (মেগা টিউন)

Saturday, March 31, 2012


আমরা যারা ওয়েব ডিজাইনিং নিয়ে আগ্রহী তাদের জন্য আজকের এই টিউন।
আপনাদেরকে আমি একটি সফটওয়ার দেব যান মাধ্যমে আপনারা খুব সুন্দর ও আকর্ষণীয়ভাবে ওয়েবসাইটের পেজ তৈরি, জুমলা, ওয়ার্ডপ্রেস, ড্রুপাল, ব্লগার, ডট নেট নিউক ইত্যাদির টেম্পেøট ডিজাইনিং করতে পারবেন কয়েক মিনিটের মধ্যেই।
সফটওয়ারটির নাম ARTISTEER । এ সফটওয়ারের মাধ্যমে আপনি যা যা করতে পারবেন-
  • ১. মন মাতানো ওয়েব পেজ তৈরি করতে পারবেন।
  • ২. জুমলা, ওয়ার্ডপ্রেস, ড্রুপাল, ব্লগার, ডট নেট নিউক ইত্যাদির টেম্পেøট ডিজাইন করতে পারবেন।
  • ৩. আর.এস.এস ফিডের আইকন ও টেম্পেøটের আইকন পরিবর্তন, হেডারে ফ্লাস ফাইল, এক্সপান্ডেবল মেনু, সাইডবার, ভার্টিকেল মেনু সুন্দরভাবে সাজাতে পারবেন।
  • ৪. অসাধারণ সব বাটন তৈরি ও এর টেক্সচার, গ্রেডিয়েন্ট, শ্যাডো, বর্ডার তৈরি করতে পারবেন।
  • ৫. সফটওয়ারটিতে প্রত্যেক ট্যাবের অধিনে Suggest নামে একটি অপশন আছে যা ক্লিক করলেই সফটওয়ারটি র‌্যান্ডমলি অনেক ধরনের জিজাইন শো করবে।
  • ৬. সর্বোপরি একটি পূর্ণাঙ্গ ওয়েবসাইট তৈরি করতে যা যা দরকার তার সবই করা যাবে।
  • ৭. আর এসব কিছুর জন্য এইচ.টি.এম.এল, পি.এইচ.পি, সি.এস.এস, মাইসকিউএল ইত্যাদি সম্পর্কে আপনার তিল পরিমান ধারনা না থাকলেও চলবে।
নিচে চিত্রের মাধ্যমে দেখানো হল।

চিত্র-১: প্রথমে Artisteer ওপেন করুন।

চিত্র ২: আপনি জুমলা অথবা ওয়ার্ডপ্রেস বা আলাদা পেজ যা নিয়ে কাজ করতে চান তা সিলেক্ট করুন।

চিত্র ৩: Suggest Design এ ক্লিক করুন।

চিত্র ৪: Randomly বিভিন্ন রকম ডিজাইন শো করবে।

চিত্র ৫: আবার Suggest Design এ ক্লিক করলে Randomly বিভিন্ন রকম ডিজাইন শো করবে।

চিত্র ৬: Colors & Fonts থেকে টেম্পেøটের রং ও ফন্ট পরিবর্তন করা যাবে।

চিত্র ৭: Layout থেকে লেআউটের ডিজাইন, হেডার, ফুটার, মারজিন, প্যাডিং ইত্যাদি পরিবর্তন করা যাবে।

চিত্র ৮: ব্যাকগ্রাউন্ডে বিভিন্ন Texture, Image ও Effectsযোগ করা যাবে।

চিত্র ৯: Sheet ট্যাব থেকে শিটের , মার্জিন, প্যাডিং, বর্ডার, শ্যাডো ইত্যাদি যোগ করা যাবে।

চিত্র ১০: Header ট্যাব থেকে হেডারে বিভিন্ন ইফেক্ট ও ফ্লাশ এনিমেশন যোগ করা যাবে।

চিত্র ১১: Menu ট্যাব থেকে মেনু ও সাবমেনুর ডিজাইন ও ধরন পরিবর্তন করা যাবে।

চিত্র ১২: Articles ট্যাব থেকে আর্টিকেলের হেডিং, হাইপারলিঙ্ক, হেডার, ফুটার ইত্যাদি পরিবর্তন করা যাবে।

চিত্র ১৩: Sideber ট্যাব থেকে সাইডবার ডিজাইন করা যাবে।

চিত্র ১৪: Vertical Men থেকে একটিভ ও পেসিভ মেনু ও সাবমেনু সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলা যায়।

চিত্র ১৫: Buttons মেনু থেকে বাটনে টেক্সচার, শ্যাডো, গ্রেডিয়েন্ট, বর্ডার ইত্যাদি নিয়ন্ত্রন করা যায়।

চিত্র ১৬: Footer ট্যাব থেকে ফুটারের টেক্সচার, টেক্সট, হাইপারলিঙ্ক, ইমেজ, RSS FEED ইত্যাদি পরিবর্তন করা যায়।

চিত্র ১৭: কাজ শেষ হলে Save As... এ গিয়ে সেভ করে রাখতে পারবেন।

চিত্র ১৮: Change Templete এ গিয়ে টেম্পেøটের ধরন পরিবর্তন করতে পারেন।

চিত্র ১৯: টেম্পেøট হিসেবে সেভ করতে চাইলে Export গিয়ে ZIP হিসেবে সেভ করুন।

চিত্র ২০: Preview in Browser এ গিয়ে টেম্পেøট কেমন হল তা ব্রাউজার দিয়ে দেখে নিতে পারেন।

এবার Artisteer ডাউনলোডের পালা

ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন। ডাউনলোড শেষে সেটাপ দিন। সেটাপের সময় দুই বার এরর দেখাতে পারে। দুইবারই Yes করুন।

এবার ক্র্যাক ডাউনলোড করুন এখান থেকে। ক্র্যাকটি এক্সক্র্যাক্ট করে Artisteer ৩ Activator॥ACTIVATION_D£GµN\CHOICE॥CHOICE ১॥crack keygen এ গিয়ে MesMerize Artisteer v৩ keygenerator.exe এ ডাবল ক্লিক করুন। এবার Artisteer ওপেন করে Activation এ ক্লিক করুন। Artisteer Actvation এর Installation Code টি Keygenerator এ কপি করে Gimme! বাটনে ক্লিক করুন। এখান থেকে License key ও Activation key কপি করে এক্টিভেট করুন।



সবাইকে ধন্যবাদ।

Continue Reading | comments (2)

আপনার কম্পিউটারে ওয়ার্ডপ্রেস সেটাপ দিন সবচেয়ে সহজ পদ্ধতিতে মাত্র একটি সফটওয়্যার দিয়ে


আমি আপনাদের আজ একটি মজার জিনিস দেব তাহলে বেশি কথা না বলে কাজের কথাই আসি।
আপনার পিসিতে যদি ওয়ার্ডপ্রেস সেটাপ দিতে চান তাহলে আপনাকে Wamp অথবা Xampp অথবা Mamp server সেটাপ দিতে হবে। যা অনেকের কাছে জটিল মনে হয়। তাই আমি যে সফটওয়্যার টি দেব সেটা দিয়ে আপনি খুব সহজে আপনার কম্পিউটারে ওয়ার্ডপ্রেস সেটাপ দিতে পারবেন। প্রথমে এই লিঙ্কে ক্লিক করে সফটওয়্যার টি ডাউনলোড করে নিন। ডাউনলোড হলে সেটি আনজিপ করুন।
এবার সফটওয়্যার টিতে ডাবল ক্লিক করুন

Ok ক্লিক করুন।

Next ক্লিক করুন
Next  ক্লিক করুন
Next  ক্লিক করুন
 এখানে login ঘরের মধ্যে আপনার ইউজার নেম দিন
password ঘরের মধ্যে আপনার password দিন
তারপর অবার password দিন
তারপর next করুন।
Blog name এর জায়গায় আপনার ব্লগ নেম দিন
Hostname এর  জায়গায় localhost লিখুন

next করুন।

 Next  ক্লিক করুন
Next  ক্লিক করুন
 Next  ক্লিক করুন
কিছুক্ষন অপেক্ষা করুন
 এবার finish বাটনে ক্লিক করুন
আপনার কম্পিউটার এ ওয়ার্ডপ্রেস সেটাপ দেয়া শেষ। এবার যে কোন ব্রাউজার ওপেন করে
localhost/wordpress লিখে এন্টার চাপুন দেখুন ওয়ার্ডপ্রেস সেটাপ হয়ে গিয়েছে।

Download link


Continue Reading | comments

ডিজাইন করুন খুব সহজে!!! না দেখলে মিস করবেন


টপিকের শুরুতে সবাইকে সালাম। বর্তমান সময়ে যারা html, php দিয়ে ওয়েব সাইট তৈরি করতে চান তাদের জন্য এই সফটওয়্যার গুলো। এই সফটওয়্যার দিয়ে খুব সহজে আপনি কাজ করতে পারবেন।
১.Web page Maker
http://screenshots.en.sftcdn.net/en/scrn/28000/28875/web-page-maker-4.jpg

http://www.qweas.com/downloads/web/html-tools/scr-web-page-maker.png
ওয়েব সাইট : http://www.webpage-maker.com
২.WYSIWYG Web Builder
http://newgamesprograms.com/NewGamesPrograms.com/upload/screenshot1388-1.jpg

http://image.just-download.com/data_images/2009/12/06/1260135609-wysiwyg-web-builder1.png
ওয়েব সাইট: www.wysiwygwebbuilder.com
৩.Artisteer
http://www.artisteer.com/media/p4/images/art-ss-01.jpg

http://www.artisteer.com/media/p4/images/art-ss-03.jpg
ওয়েব সাইট: http://www.artisteer.com
এই সফটওয়্যার গুলোর সিরিয়াল ভার্সন পাবেন www.h33t.com
আজ এই পর্যন্ত। ধন্যবাদ।

Continue Reading | comments
 
Copyright © 2008-2015. Deshi Tunes:: Your most important blogging platform for Tips and Tricks... - All Rights Reserved
Template Modify by DTunes Apps